সর্বশেষ
ময়মনসিংহে নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ মিলল সেপটিক ট্যাংকে, আটক ১
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় নিখোঁজের এক দিন পর আন্দালিভ সাদমান ওরফে রাফি (৮) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রতিবেশী এক তরুণ তাকে হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) দুপুরে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রাম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাদমান ওই গ্রামের ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় একটি রেসিডেন্সিয়াল মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত।
এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে খোকন মিয়া (২১) নামের এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। খোকন ওই এলাকার আবদুল বারেকের ছেলে এবং স্থানীয় একটি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
নিখোঁজ ও মরদেহ উদ্ধার পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার পর থেকে সাদমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও সন্ধান না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। গতকাল রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তাগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
জিডির সূত্র ধরে আজ শনিবার দুপুরে পুলিশ এলাকায় তদন্তে যায়। এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী খোকন মিয়ার ওপর সন্দেহের কথা জানানো হয়। দুপুর ১টার দিকে পুলিশ খোকনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় সাদমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হত্যার কারণ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, 'শিশুটির বাবার সঙ্গে খোকন মিয়ার পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।'
পুলিশ জানায়, সাদমানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:







