হাইব্রিড 'ব্যাংকক সুইট-২' জাতের মিষ্টি কুমড়া চাষ করে পথে বসার উপক্রম হয়েছে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার লাঙ্গল গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মো. সাজ্জাদ হোসেনের। ব্যাংক ঋণ, ধারদেনা ও বাকিতে সার-কীটনাশক কিনে প্রায় ১৮০ বিঘা জমিতে এই মিষ্টি কুমড়ার আবাদ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ৩ মাস পার হলেও গাছে কোনো ফল না আসায় তার অন্তত ১ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন এই কৃষক।
জানা গেছে, এর আগে আলু চাষেও লোকসানের মুখে পড়েছিলেন সাজ্জাদ। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের নলেহা এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চুক্তিতে ১৮০ বিঘা জমি নিয়ে তিনি মিষ্টি কুমড়ার আবাদ শুরু করেন। বোদা বাজারের সার-বীজ ও কীটনাশক ব্যবসায়ী মো. আরিফুল রহমান রাসেলের পরামর্শে তিনি আলমগীর সীড কোম্পানির 'ব্যাংকক সুইট-২' জাতের বীজ ব্যবহার করেন।
কৃষক সাজ্জাদ হোসেনের অভিযোগ, আলমগীর সীড কোম্পানির পক্ষ থেকে তাকে প্রতি একরে ১৯ থেকে ২০ মেট্রিক টন ফলনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তিনি নিয়মিত সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগসহ সব ধরনের পরিচর্যা করেন। জমিতে গাছের বৃদ্ধি ও ফুল ভালো এলেও শেষ পর্যন্ত একটি কুমড়াও ধরেনি। বিপুল বিনিয়োগ করে কোনো ফলন না পাওয়ায় তিনি এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের জবাব জানতে আলমগীর সীড কোম্পানির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:







