২০২৬ সালে পা রাখার পর পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তাদের মতে, শরীরকে সুস্থ রাখতে কোনো সাময়িক ও কঠোর ডায়েট নয়, বরং সহজ এবং টেকসই অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি যা হজম শক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করবে। ছোট ছোট কিন্তু নিয়মিত কিছু পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুবিধা বয়ে আনে যা দৈনন্দিন জীবনে সহজে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।
দিনের শুরু করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা হালকা গরম পানি পানের পরামর্শ দিয়েছেন। হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এর সঙ্গে মৌরি, ভেজানো কিশমিশ বা লবণ-চিনিহীন লেবুর পানি যোগ করা যেতে পারে।
এছাড়া পেটের স্বাস্থ্যের জন্য কম তেলে রান্না করা সবজি, দই এবং দেশীয় মশলা খাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে। সুস্থ থাকতে চিনি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে ফলমূল বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন:







