মঙ্গলবার

২৮ জুলাই, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩
২৮ ১৪৪৭

News Ticker
22.gif

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসে ৮০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯

শেয়ার

শেয়ার

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসে ৮০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা
কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসে ৮০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে 'আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা' ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
আফ্রিকার শীর্ষ স্বাস্থ্য সংস্থা আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি)
কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে ইবোলার প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৪৬টি সংক্রমণের ঘটনা এবং ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মঙ্গওয়ালু ও রওয়াম্পারা শহরের বাসিন্দা।
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে 'আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৫৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার মারা যান এবং পরীক্ষায় তার শরীরে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়।
ইবোলা প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৭৬ সালে বর্তমান ডিআর কঙ্গো অঞ্চলে। ধারণা করা হয়, বাদুড় থেকে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এটি দেশটিতে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। শরীরের তরল পদার্থের সরাসরি সংস্পর্শ এবং ক্ষতস্থানের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়ায়। এতে তীব্র রক্তক্ষরণ ও অঙ্গ বিকল হওয়ার মতো জটিলতা দেখা দেয়।
প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও গলাব্যথা। পরে বমি, ডায়রিয়া, চামড়ায় র‍্যাশ ও রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ইবোলার এখনো কোনো নিশ্চিত চিকিৎসা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, এ রোগে গড়ে মৃত্যুহার প্রায় ৫০ শতাংশ।
আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে, ৮০ জন মৃতের মধ্যে চারজনের সংক্রমণ পরীক্ষাগারে নিশ্চিত করা হয়েছিল। ইতুরির প্রাদেশিক রাজধানী বুনিয়াতেও অতিরিক্ত সন্দেহভাজন সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। তবে সেগুলোর পরীক্ষাগার শতভাগ নিশ্চিতকরণ এখনো বাকি। আফ্রিকা সিডিসি সতর্ক করেছে যে রওয়াম্পারা ও বুনিয়ার মতো শহুরে এলাকা এবং মঙ্গওয়ালুর খনিশিল্পের কারণে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

গত ৫০ বছরে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ইবোলা ভাইরাসে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ডিআর কঙ্গোর সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাব ছিল ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে, যখন প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষ মারা যায়। গত বছর দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় কাসাই প্রদেশের বুলাপে অঞ্চলে আরেকটি প্রাদুর্ভাবে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। 

Revolution24TV Footer