মঙ্গলবার

২৮ জুলাই, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩
২৮ ১৪৪৭

News Ticker
22.gif

আঞ্চলিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৯

শেয়ার

শেয়ার

আঞ্চলিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
আঞ্চলিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। 

 

ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝে ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা। 

রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, খামেনি বলেছেন, (ট্রাম্প) নিয়মিতই বলেন যে, তিনি রণতরী এনেছেন। এসব দেখে ইরানি জাতি ভয় পায় না। ইরানি জনগণ এসব হুমকিতে বিচলিত হবে না।

তিনি বলেন, আমরা হামলার সূচনাকারী নই এবং কোনো দেশকে আক্রমণ করতে চাই না; তবে যে কেউ আক্রমণ কিংবা হয়রানি করলে ইরানি জাতি তার বিরুদ্ধে শক্ত আঘাত হানবে।

তবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনায় কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা এমন ‘ন্যায্য’ আলোচনার জন্য প্রস্তু ; যা তাদের প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা খর্ব করার উদ্দেশ্যে নয়।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ছয়টি ডেস্ট্রয়ার, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং তিনটি লিটোরাল কমব্যাট জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'দ্য ড্রপ সাইট নিউজ'-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে আজ রোববার (১ জানুয়ারি) থেকেই ইরানে সুপরিকল্পিত হামলা শুরু হতে পারেন।

তবে এই হামলার মূল লক্ষ্য কেবল ইরানের পারমাণবিক বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা নয়, বরং শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর ‘শিরচ্ছেদ’ কৌশল প্রয়োগ করে দেশটিতে সরকার পরিবর্তন বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটানো। 

মার্কিন যুদ্ধ পরিকল্পনাকারীরা মনে করছেন, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর নেতৃত্বকে সরিয়ে দিতে পারলে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে এবং বর্তমান সরকারের পতন ঘটবে।

সাবেক এক শীর্ষ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যমতে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তিনি ট্রাম্পকে এই আশ্বাসও দিয়েছেন যে তেহরানে পশ্চিমাঘেঁষা নতুন সরকার গঠনে ইসরাইল পূর্ণ সহযোগিতা করবে। 

ট্রাম্প নিজেও শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে এক বক্তব্যে বিশাল মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো এখন চরম সতর্কাবস্থায় রয়েছে। 

ইতিমধ্যে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে তারা তাদের আকাশসীমা বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

Revolution24TV Footer