১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় নতুন করে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে, কুতুবদিয়ার বড়ঘোপে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে এই নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম পাঁচ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, যারা বর্তমানে নতুন করে চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে, তারাই দেশের ‘নতুন জালেম’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই নতুন জালেমদের রুখে দেওয়ার মোক্ষম সময় হচ্ছে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি।
কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সরকার কে গঠন করবে, তা এ দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে। দিল্লির কোনো ‘দাদাগিরি’ বা ষড়যন্ত্র এ দেশের মানুষ আর বরদাশত করবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের এই লড়াই মূলত দেশকে আধিপত্যবাদ, দুর্নীতি ও লুটেরাদের হাত থেকে মুক্ত করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লড়াই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তিনি নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতির অধিকার রক্ষায় যে কোনো ধরনের কারচুপি বা ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। তার মতে, ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে একটি গুণগত নতুন বাংলাদেশ গড়ার মাইলফলক।
বক্তারা উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে বলেন, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং উন্নয়নের জন্য এই নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জনসভা শেষে নেতারা উপস্থিত সকলকে ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দিয়ে একটি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন:





-6a4a7e705520e.jpg)

