মঙ্গলবার

২৮ জুলাই, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩
২৮ ১৪৪৭

News Ticker
22.gif

এমপি নজরুলকে নিয়ে নতুন ভিডিও ফাঁস, আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৮

শেয়ার

শেয়ার

এমপি নজরুলকে নিয়ে নতুন ভিডিও ফাঁস, আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
এমপি নজরুলকে নিয়ে নতুন ভিডিও ফাঁস, আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

নারীকাণ্ডের বিতর্কে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার আরও কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িচালকের করা মামলায় একজন গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনী এলাকায় বিক্ষোভের ঘটনায় তার ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সর্বশেষ ভিডিওতে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি হোটেলে প্রবেশ করতে দেখা যায় গাজী নজরুল ইসলামকে। পরে হোটেলের লবি, করিডর, লিফট ও সিঁড়িঘরে ওই নারীর সঙ্গে তাকে দেখা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে গাজী নজরুল ইসলাম, আমিনুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় মামলা করেছেন তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান। মামলার পর আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাসুম বিল্লাহ, মোতাসসিম বিল্লাহ ও রাকিবুল হাসান।

অন্যদিকে, গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী এলাকা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেস ক্লাব চত্বরে ‘সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তারা তার সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের দাবি জানান।

মামলার বাদী ওবায়দুর রহমান গণমাধ্যমে দাবি করেন, মরিয়াম বেগমের সঙ্গে ‘অবৈধ’ সম্পর্ক রাখতে এবং বিষয়টি গোপন রাখার জন্য তার বাবা মাসুম বিল্লাহকে ঠিকাদারি লাইসেন্স করিয়ে দিয়ে সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দিয়েছিলেন সংসদ-সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। আশ্বাস দিয়েছিলেন কোটিপতি বানিয়ে দেওয়ার। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম ‘মাসুম এন্টারপ্রাইজ’। মাসুমের কাজ ছিল শুধু দরপত্র জমা দেওয়া। কাজ পাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেন গাজী নজরুল নিজেই। 

ওবায়দুর বলছিলেন, ‘মাসুম কন্ট্রাক্টরির কিছুই বুঝত না। দায়িত্ব দেয় আমাকে। আমিও এসবের কিছু বুঝি না। তারপরও খেজুরের ব্যবসা বন্ধ করে টেন্ডারের বিষয়টি দেখাশোনা করছিলাম।’ সাতক্ষীরার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাধিক প্রকল্পে দরপত্রও জমা দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।
ওবায়দুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, টাকার লোভে মরিয়ামের মা-বাবা সংসদ-সদস্যের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি করেননি। গাড়িচালক সম্পর্কে মরিয়ামের মামা হন। গাজী নজরুল সম্পর্কে মরিয়ামের বাবা মাসুম বিল্লাহর খালু। সেই সুবাদে মরিয়াম এমপির নাতনি। ওবায়দুরকে তার বোনের স্বামী মাসুম বিল্লাহ বলেছিলেন, ‘এমপিকে হাতে রাখতে হবে। পাঁচ বছরে আমাদের অনেক কিছু করে নিতে হবে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মরিয়ম বেগমকে জাতীয় সংসদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘মেয়েকে বলা হতো সংসদে চাকরি দেওয়া হবে। আর বাবাকে বলা হতো, বড় বড় কাজ দেওয়া হবে। এই লোভ দেখিয়েই পুরো বিষয়টি চলছিল।’

Revolution24TV Footer