হজের সফরে প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তুতি যত সুন্দর হবে, হজ পালন করা তত সহজ ও সুন্দর হবে। প্রস্তুতির দুটি দিক রয়েছে—বাহ্যিক ও আত্মিক।
হজ এজেন্সি নির্বাচন করা, টিকিট, ভিসা, যাতায়াত ও আবাসনের ব্যবস্থা হলো বাহ্যিক প্রস্তুতি। এই ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি থাকলে হয়তো আপনার কিছুটা শারীরিক কষ্ট হতে পারে, কিন্তু হজের মূল ইবাদতে তার খুব একটা প্রভাব পড়ে না।
যেমন একটি কক্ষে চারজনের জায়গায় পাঁচজন থাকলে সাময়িক বিড়ম্বনা হয়, তবে তাতে হজের আহকাম বা আরকান নষ্ট হয় না।
আল্লাহ বলেছেন, হজে যাওয়ার আগে তোমরা পাথেয় সংগ্রহ করো; আর জেনে রেখো, সবচেয়ে বড় পাথেয় বা প্রস্তুতি হলো তাকওয়া।
আসল সমস্যা হয় অন্য জায়গায়। ওমরাহর ৪টি কাজ এবং হজের ৯টি কাজ—এই মোট ১৩টি কাজের মধ্যে কোনো একটি ভুল হলে আপনার হজ বা ওমরাহ অপূর্ণ থেকে যেতে পারে।
হজ প্রশিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ ১৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি হজযাত্রীদের পরামর্শ দিই—বাহ্যিক প্রস্তুতির চেয়ে ইবাদতের প্রস্তুতিতে বেশি মনোযোগী হোন। বাহ্যিক ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়া গেলেও ইবাদতের ত্রুটি সংশোধন করা অনেক সময় জটিল হয়ে পড়ে।
আসল প্রস্তুতি হলো তাকওয়া
আল্লাহ বলেছেন, হজে যাওয়ার আগে তোমরা পাথেয় সংগ্রহ করো; আর জেনে রেখো, সবচেয়ে বড় পাথেয় বা প্রস্তুতি হলো তাকওয়া। (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৯৭)
তাকওয়া মানে আল্লাহভীতি। মহানবী (সা.) তাঁর বুকের বাঁ পাশে ইশারা করে তিনবার বলেছেন, ‘তাকওয়া এখানে’। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৬৪) অর্থাৎ, হৃদয়ের পরিশুদ্ধিই আসল।
আরও পড়ুন:







